Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!
বাংলাদেশ, , মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯

কউকের উচ্ছেদ অভিযান প্রশ্নবিদ্ধ হলে; ৩৬কোটি টাকার প্রকল্প কাজ ব্যাহত হবে!

সিএনবি ডেস্ক  ২০১৯-০৫-১২ ০৫:২৫:২১  

সিএনবি রিপোর্ট;

কক্সবাজার শহরের অভ্যন্তরে বহু কালের স্মৃতিবাহী লালদীঘি,গোলদীঘি এবং নাপিতা পুকুর পুন:খননসহ ভৌত কাঠামোর দৃষ্টি নন্দন উন্নয়ন ও আধুনিকায়নে প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।৩টি পুকুরের পাড়ে পয়:ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার পাশাপাশি পানি সরবরাহ,বিদ্যুতায়ন ও আলোকসজ্জা,রিটেনিং ওয়াল এবং ওয়াক ওয়ে নির্মাণ,সবুজ বেষ্টনীর অন্দরে সাইকেল স্ট্যান্ড স্থাপনের আলোকে প্রকল্পের নকশা করা হয়েছে।

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রনালয়ের অধীনে ৩৬ কোটি টাকা ব্যয় মূল্যে প্রকল্প বাস্তবায়নের দায়িত্বে রয়েছেন কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ(কউক)।
সিনবন নামক ডিজাইন কন্সালটেন্সি প্রতিষ্ঠানের লে-আউট অনুসরণে; ই-টেন্ডারের মাধ্যমে প্রকল্প তিনটির ওয়ার্ক অর্ডার পেয়েছেন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান খান এন্ড সন্স(বাংলাদেশ)লিমিটেড।
আগামী ২০২০ অর্থ বছরের জুন মাসের দিকে প্রকল্প তিনটির কাজ শেষ করার কথা রয়েছে।

চলমান প্রকল্প তিনটির মধ্যে বাজারঘাটাস্থ নাপিতা পুকুর পাড়ে নির্মিত স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযানের আইনানুগ বৈধতা নিয়ে পরস্পর বিরুধী বক্তব্যে গত ১১মে স্থানীয় দৈনিক পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।সংবাদে উল্লেখিত বক্তব্যে স্থানীয় বাসিন্দা খোদেজা আক্তার সাকি দাবী করেছেন-নাপিতা পুকুর সংলগ্ন তার নির্মিত স্থাপনা কউক অন্যায় ভাবে উচ্ছেদ করতে যাচ্ছে।
প্রকাশিত সংবাদে অপর বক্তব্যে কউক চেয়ারম্যান বলেছেন-যে কোন মূল্যেই নাপিতা পুকুর দখল করে নির্মিত স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে।

গতকাল শনিবার থেকে এই বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুক থেকে শুরু করে নানা অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা ও তর্ক-বির্তক চলছে।উচ্ছেদ অভিযানের আইনী বৈধতা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন স্থরের নাগরিক সমাজের অনেকে কউকের উচ্ছেদ অনিয়মতান্ত্রিক ও স্বেচ্ছাচারিতামূলক বলে মন্তব্য করেছেন।উল্লেখিত বিষয়ের প্রেক্ষিতে ব্যাপক অনুসন্ধান করে নির্ভরযোগ্য দালিলিক সূত্রে জানা
যায়-নাপিতা পুকুরের পশ্চিম পাড়স্থ প্রাচীন বাসিন্দা প্রয়াত হাফেজ আহমেদ চৌধুরীর মালিকাধীন বসতি জমির লাগোয়া;

কক্সবাজার মৌজার:তপশীল:আর.এস দাগ নং-১৮৮৯/পি.এস দাগ নং-৩০১৫/বি.এস.৭০১৪,৭০১৫ নং দাগ ভুক্ত ৫১০বর্গফুট জমি বিগত ২৯-০৬-২০১১ইংরেজি তারিখ থেকে ভাড়ানামায় অঙ্গিকারে কক্সবাজার পৌরসভার পক্ষে মেয়র(ভারপ্রাপ্ত) ও খোদেজা আক্তার সাকির মধ্যে চুক্তিপত্র সম্পন্ন হয়।চুক্তি পরবর্তী সময়ে পৌর কর্তৃপক্ষের অনুমোদিত লে-আউট অনুসরণে গ্রহিত জমিতে স্থাপনা নির্মিত হয়।রাষ্ট্রের উন্নয়ন সাধনে বিশেষ প্রেক্ষিতে ব্যক্তি অধিন সরকারী জমি অধিগ্রহণ করতে চাইলে-নাগরিক ভোগান্তি ও ক্ষতিরোধে, অবমুক্ত প্রস্তুতির সুবিধার্থে নির্দিষ্ট সময় পূর্বে কোন নোটিশ এবং চুক্তিবাতিল ব্যতিরেকে কউক এর বিরুদ্ধে উচ্ছেদের নামে হয়রানির অভিযোগ উত্থাপন করেছেন স্থাপনা মালিক সাকি।

কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অফিসিয়াল ওয়েবপেইজে উল্লেখিত তথ্য সূত্রে জানা যায়-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি দল বিগত ১২মার্চ প্রকল্প সমূহের স্থান পরিদর্শন করে।পরে কর্ম প্রক্রিয়ার সুবিধার্থে বিশিষ্টজনের সাথে আলোচনা কালে প্রকল্প পরিচালক বলেন-দিঘী তিনটির আশপাশে অবৈধভাবে গড়ে উঠা স্থাপনা গুলো সরিয়ে নেয়ার জন্য আমরা বেশ কয়েকবার আলোচনা করেছি।শহরের সৌন্দর্য্য বৃদ্ধি ও দিঘী তিনটির আধুনিকায়নের স্বার্থে আমরা সরকারি জমি পুণরুদ্ধার করে কাজ করবো।এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন,লালদিঘীর পাড়ে যেহেতু মসজিদ ও আওয়ামীলীগের অফিস আছে সেটা সমঝোতার মাধ্যমে অন্যত্রে সরিয়ে নেয়ার জন্য আমরা তাদের সাথে একাধিকবার আলোচনা করেছি এবং আবার বসবো। তিনি ওই শহরের উন্নয়নের স্বার্থে সকলের সহযোগি কামনা করেন।

বিপুল অর্থ ব্যয়ে চলমান ৩টি প্রকল্প বাস্তবায়ন কাজের ব্যাঘাত যাতে না ঘটে,তার জন্য স্থাপনা মালিক কর্তৃক উচ্ছেদ অভিযান নিয়ে উত্থাপিত অভিযোগ সহ সকল সমস্যা নিয়মতান্ত্রিক ও যথাযথ আইনানুসারে নিরসনের দাবী জানিয়েছেন পৌরবাসী।বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার সারা দেশের ন্যায় কক্সবাজারের ব্যাপক উন্নয়ণে চলমান প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যক্রম প্রসঙ্গে নাগরিক মতামত জানতে চাইলে বিশিষ্ট লেখক ও সাংবাদিক, সাবেক ছাত্রনেতা মির্জা ওবাইদ রুমেল বলেন-
বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা নিয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনার মূল লক্ষ্য হলো সু-শাসনের মধ্য দিয়ে দূর্নীতি নির্মূল,অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও নাগরিক জীবনের মানোন্নয়ন করা।সরকারের সকল কর্মযজ্ঞ জনকল্যাণের জন্য। উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ নাগরিক প্রতিপক্ষ হয়ে গেলে,সামাজিক সংকটে অর্থনৈতিক ঝুঁকি বেড়ে যায়।

মন্তব্য করুন

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন


ফেইসবুকে আমরা

বিজ্ঞাপন