Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!
বাংলাদেশ, , মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০১৯

প্রধানমন্ত্রীর পর এবার কক্সবাজারের এক যুবককে হুমকী সেই রোহিঙ্গার

সিএনবি ডেস্ক  ২০১৯-০৪-১৪ ০৯:৩১:৩৪  

বিশেষ প্রতিবেদক:
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেসবুকের মাধ্যমে আরাকানি ভাষায় ‘পরিণতি খারাপ হবে’ বলে হুমকীর পর এবার মাহবুব আলম মিনার নামের কক্সবাজারের এক যুবককে প্রাণনাশের হুমকী প্রদান করেছে সেই রোহিঙ্গা খালেদ। ভয়েস কল পাঠিয়েও অশ্রাব্য ও অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করেছে ওই রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী।
মালয়েশিয়া থেকে হুয়াটস অ্যাপ-এর মাধ্যমে হুমকী প্রদানের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে অবগত করেছেন মিনার। তিনি পেশায় একজন সংবাদকর্মী।

হুমকীদাতা রোহিঙ্গার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী তুলেছে স্থানীয়রা।
১৩ এপ্রিল সন্ধ্যায় রোহিঙ্গা খালেদ নিজের হুয়াটস অ্যাপ-এর মাধ্যমে পাঠানো হুমকী হুবহু (বোঝার সুবিধার্থে সামান্য বানান শুদ্ধ করে) তুলে ধরা হলো:
‘প্রথমে আমার সালাম রহিল। আমি খালেদ রোহিঙ্গা মালেশিয়া থেকে। মাহবুব আলম মিনার, তুকে বলতেছি। তুই আমাদের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গিয়ে বিভিন্ন তথ্য ও খবর নিয়ে তুর দেশের প্রশাসনকে দিয়ে থাকিস। তুই মাগির পো (গালি) আমাদের রোহিঙ্গাদের খবর আর কাউকে দিসনা। যদি তুরে আমার লোকজন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পায় মেরে ফেলার অর্ডার আমি করেছি। মাগির বাচ্চা তুই আমাদের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কি পাইসস? 
তুর মার পুদের (গালি) ভিতর তুকে আবার ঢুকায় দেব। তুই আমার ভিডিও সব জায়গায় দিয়েছ। আমি ভুল করে তুদের প্রধানমন্ত্রীকে গালি দিয়েছিলাম। তুই আমাদের রোহিঙ্গাদের ফেইসবুক থেকে আমার ভিডিও নিয়ে সব জায়গায় দিয়েছ। তুই আমারে আজও চিনতে পারসনি। আমি তুর কল্লা (কতল) নেব। মাগির পো, তুর প্রশাসনের মাধ্যমে তুকে মারাব। তুর জন্য টাকা খরচ করব। শুধু তুকে মেরে ফেলব। তুই বাঁচতে চায়লে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যাইচ না। তুর রেহায় নায়। তুই প্রশাসনের দালাল। তুর দেশের প্রশাসনকে টাকা দিয়ে কেনা যায়। 
আমার কথা শুনে আমল কর। তুই আর আমাদের গোপন খবর নিতে আর যাইচ না। গেলে তুর খবর আছে। তুই আমাদের রোহিঙ্গাদের কথা বার বার প্রশাসনকে জানিয়ে দিস কেন? মাগির (গালি) বাচ্চা, আমরা কি তোর বোনরে চুদেছি (গালমন্দ)? কেন আমাদের রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে লেগেছিস ?সরে দাঁড়া। তুকে আবার বললাম। তুকে আমার নাম্বার দিলাম সহস থাকলে কল দিস। আমার ইমু নাম্বার +৬০১৯৫২১৫৯১৪। তুই সাহস থাকলে কল কর।’
এদিকে, হুমকী প্রদানের বিষয়ে জানতে চাইলে মাহবুব আলম মিনার বলেন, রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী খালেদ প্রবাসে বসে আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে হুমকি দিয়েছিল। এই তথ্য সর্বপ্রথম আমি ক্যাম্প থেকে পেয়ে পুলিশ থেকে শুরু করে সবার কাছে সরবরাহ করেছিলাম। সাংবাদিকদের দিয়েছিলাম। এই খবর পাওয়ার পর থেকে আমার পেছনে লেগেছে খালেদ। বিভিন্ন লোক দিয়ে আমার খোঁজখবর নিচ্ছে। আমাকে প্রাণনাশের হুমকী প্রদান করছে। রবিবার (১৪ এপ্রিল) দুপুরে এই হুমকী ভয়েস কলে পাঠিয়েছে।
খোঁজখবর নিয়ে জানা গেছে, খালেদ মালয়েশিয়ায় অবস্থান করলেও তার সঙ্গে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অবস্থানরত তার বাহিনীর সদস্যদের সাথে যোগাযোগ রয়েছে। তার বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে অন্যতম রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী নবী হোসেন, শামশুল আলম প্রকাশ ডাকাত শামসু, মোচনী আনসার কমান্ডার হত্যা মামলার প্রধান আসামি নুরুল আলম প্রকাশ জোবাইর সম্প্রতি বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়। এই ঘটনার পর থেকে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীরা সুসংগঠিত ও বেপরোয়া হতে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রীকে হুমকি দেয় রোহিঙ্গা জঙ্গি খালেদ। তাতে শেষ নয়, রোহিঙ্গাদের অস্ত্রের উপর প্রশিক্ষিত করে তুলতে সে মিশনে নেমেছে। প্রতিনিয়ত যোগাযোগ করে চলেছে ক্যাম্পে অবস্থানরত বাহিনীর সদস্যদের সাথে। সম্প্রতি এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশ হয়েছে। উগ্রপন্থী খালেদের সাথে মিয়ানমারের বিচ্ছিন্নবাদি জঙ্গী সংগঠন ‘আরসা’র ‘হট কানেকশন’ রয়েছে বলে জানা গেছে। ওপারে বসে নিয়ন্ত্রণ করছে এপারের বাহিনী। যেভাবেই হোক তাকে আইনের আওতায় আনার দাবী জানিয়েছে কক্সবাজারের সর্বস্তরের মানুষ।

সরে দাঁড়া। তুকে আবার বললাম। তুকে আমার নাম্বার দিলাম সহস থাকলে কল দিস। আমার ইমু নাম্বার +৬০১৯৫২১৫৯১৪। তুই সাহস থাকলে কল কর।’

এদিকে, হুমকী প্রদানের বিষয়ে জানতে চাইলে মাহবুব আলম মিনার বলেন, রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী খালেদ প্রবাসে বসে আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে হুমকি দিয়েছিল। এই তথ্য সর্বপ্রথম আমি ক্যাম্প থেকে পেয়ে পুলিশ থেকে শুরু করে সবার কাছে সরবরাহ করেছিলাম। সাংবাদিকদের দিয়েছিলাম। এই খবর পাওয়ার পর থেকে আমার পেছনে লেগেছে খালেদ। বিভিন্ন লোক দিয়ে আমার খোঁজখবর নিচ্ছে। আমাকে প্রাণনাশের হুমকী প্রদান করছে। রবিবার (১৪ এপ্রিল) দুপুরে এই হুমকী ভয়েস কলে পাঠিয়েছে।

খোঁজখবর নিয়ে জানা গেছে, খালেদ মালয়েশিয়ায় অবস্থান করলেও তার সঙ্গে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অবস্থানরত তার বাহিনীর সদস্যদের সাথে যোগাযোগ রয়েছে। তার বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে অন্যতম রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী নবী হোসেন, শামশুল আলম প্রকাশ ডাকাত শামসু, মোচনী আনসার কমান্ডার হত্যা মামলার প্রধান আসামি নুরুল আলম প্রকাশ জোবাইর সম্প্রতি বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়। এই ঘটনার পর থেকে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীরা সুসংগঠিত ও বেপরোয়া হতে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রীকে হুমকি দেয় রোহিঙ্গা জঙ্গি খালেদ। তাতে শেষ নয়, রোহিঙ্গাদের অস্ত্রের উপর প্রশিক্ষিত করে তুলতে সে মিশনে নেমেছে। প্রতিনিয়ত যোগাযোগ করে চলেছে ক্যাম্পে অবস্থানরত বাহিনীর সদস্যদের সাথে। সম্প্রতি এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশ হয়েছে। উগ্রপন্থী খালেদের সাথে মিয়ানমারের বিচ্ছিন্নবাদি জঙ্গী সংগঠন ‘আরসা’র ‘হট কানেকশন’ রয়েছে বলে জানা গেছে। ওপারে বসে নিয়ন্ত্রণ করছে এপারের বাহিনী। যেভাবেই হোক তাকে আইনের আওতায় আনার দাবী জানিয়েছে কক্সবাজারের সর্বস্তরের মানুষ।

মন্তব্য করুন

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন


ফেইসবুকে আমরা

বিজ্ঞাপন