Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!
বাংলাদেশ, , মঙ্গলবার, ২০ আগস্ট ২০১৯

মহাসড়কের পাশে কলেজ-ছাত্রের লাশ, পরিবারের দাবি হত্যাকাণ্ড

সিএনবি ডেস্ক  ২০১৯-০৮-১২ ২৩:৪২:৩৭  

বগুড়ার শাজাহানপুর থানা পুলিশ সোমবার ভোরে উপজেলার নয়মাইল এলাকায় বগুড়া-ঢাকা মহাসড়কের পাশ থেকে সাব্বির রহমান শাওন (২০) নামে এক কলেজছাত্রের মুখ থেতলানো লাশ উদ্ধার করেছে।তিনি রোববার বিকালে জুতা কেনার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হবার পর নিখোঁজ হন। পুলিশ প্রাথমিকভাবে এ ঘটনাকে সড়ক দুর্ঘটনা বললেও স্বজনরা বলছেন, ঘাতকরা তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার পর দুর্ঘটনা হিসেবে চালিয়ে দিতে লাশ মহাসড়কে ফেলে দেয়। বিকালে এ খবর পাঠানো পর্যন্ত মামলা হয়নি।জানা গেছে, বগুড়া শহরের ঠনঠনিয়া সুফিপাড়ার হাবিবুর রহমানের তিন ছেলের মধ্যে দ্বিতীয় সাব্বির রহমান শাওন এ বছর বগুড়া সরকারি শাহ্ সুলতান কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেন।রোববার বিকালে ঈদের জুতা কিনতে বাড়ি থেকে বের হন। রাতে বাড়ি না ফেরায় বাবা হাবিবুর রহমান যোগাযোগের চেষ্টা করলে তার ফোন বন্ধ পান।প্রতিবেশি ঘনিষ্ট বন্ধু মিঠুকে ফোন দিলে তিনি জানান, শাওন তার সঙ্গে আছে। তখন শাওন ওই ফোনে জানান, ১০ মিনিটের মধ্যে বাড়ি ফিরবেন। রাত ১টা পেরিয়ে গেলেও শাওন না ফেরায় উদ্বিগ্ন বাবা-মা আবারও মিঠুকে ফোন দেন।তখন মিঠু জানায়, তিনি শাওনকে শহরের আলতাফ আলী মার্কেটে রেখে এসেছেন। এরপর মা সেলিনা আকতার ছোট ছেলে সাকিব উর রহমান ও মিঠুকে সঙ্গে নিয়ে সম্ভাব্য সব স্থানে শাওনের খোঁজ করেন।

সদর থানা ও কৈগাড়ি পুলিশ ফাঁড়িতেও তাকে পাওয়া যায়নি। সোমবার সকালে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে পুলিশের গাড়িতে মুখ থেতলানো এক তরুণের লাশ দেখতে পান।তখন ছোট ভাই সাকিব সেন্ডেল দেখে লাশটি তার ভাই শাওনের বলে সনাক্ত করেন।পুলিশ তাদের জানায়, শাজাহানপুর উপজেলার নয়মাইল এলাকায় মহাসড়কে সড়ক দূর্ঘটনায় তার ভাই মারা গেছেন।

নিহতের ছোট ভাই সাকিব জানান, শাওন শহরে জুতা কিনতে গিয়েছিল। নয়মাইল এলাকায় তার যাবার কোনো প্রশ্ন উঠে না।

তার দাবি, তার ভাইকে পরিকল্পিতভাবে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে। আর এ হত্যাকে সড়ক দূর্ঘটনা হিসেবে চালিয়ে দিতে লাশ মহাসড়কে ফেলে দেয়া দেয়। সেখানে যানবাহন তার ভাইকে পিস্ট করে।সাকিব আরও জানান, এ ব্যাপারে তারা থানায় হত্যা মামলা করবেন। মা সেলিনা আকতার একই মন্তব্য করে তার ছেলের খুনিদের চিহ্নিত করে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।

শাজাহানপুর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) আবুল কালাম আজাদ ও সদর থানার ইউডি অফিসার এসআই সোলায়মান জানান, তারা প্রথমে এটাকে দুর্ঘটনা ভেবেছিলেন। কিন্তু শহর থেকে ৯-১০ মাইল দূরে মহাসড়কের পাশে লাশ পড়ে থাকায় সন্দেহ হচ্ছে। এ কারণে লাশের ময়নাতদন্ত করানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে এটি হত্যা না দুর্ঘটনা তা নিশ্চিত হওয়া যাবে। পাশাপাশি এ ব্যাপারে তদন্ত করা হচ্ছে। পরিবার থেকে মামলা দিলে তা গ্রহণ করা হবে।

মন্তব্য করুন

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন


ফেইসবুকে আমরা

বিজ্ঞাপন