Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!

রবিবার, ১৯ মে ২০১৯, ১১:৪৩ অপরাহ্ন

Our Mail Address: [email protected]
শিরোনাম :
যানজটে শীর্ষে রামু চৌমুহনীর এই গোল চত্বর শিক্ষক ও পেশাজীবীদের সামাজিক সংগঠন “ডিঙি ফাউন্ডেশন” এর ইফতার পার্টি সম্পন্ন। বঙ্গবন্ধু আইন ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি হলেন ইকবাল হোছাইন বঙ্গবন্ধু ছাত্র একতা পরিষদের কক্সবাজার জেলা সভাপতি তারেকুল ইসলাম শামীম। একজন প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধা ও পাহাড়তলীর অজানা ইতিহাস! নড়াইলে মাশরাফির স্ত্রীর ব্যস্ত সময় শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আজ কক্সবাজারে রোবট অলিম্পিয়াডের এক্টিভেশন কর্মশালা আগামীকাল খরুলিয়ার নির্যাতিত পরিবারের প্রশ্ন: ‘আর কতো নির্যাতিত হলে আমরা বিচার পাবো?’ কউকের উচ্ছেদ অভিযান প্রশ্নবিদ্ধ হলে; ৩৬কোটি টাকার প্রকল্প কাজ ব্যাহত হবে!
দুর্বল হয়ে বাংলাদেশে আঘাত হানবে ফনি

দুর্বল হয়ে বাংলাদেশে আঘাত হানবে ফনি

ভারতের ওড়িশ্যার উপকূলে উঠে আসার পর বৃষ্টি ঝরিয়ে ফনি দুর্বল হয়েছে অনেকটা, ‘অতি প্রবল’ থেকে পরিণত হয়েছে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে এটি। পশ্চিমবঙ্গ পেরিয়ে আসার পথে আরও দুর্বল হয়ে এই ঘূর্ণিঝড় শনিবার সকাল ১১-১২ টার মধ্যে বাংলাদেশ পৌঁছাতে পারে বলে আবহাওয়াবিদদের ধারণা।

শুক্রবার মধ্যরাতে আগারগাঁওয়ে আবহাওয়া অধিদফতরের পরিচালক শামছুদ্দীন আহমেদ সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ঘূণিঝড় ফনি বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে নয়, দেশেল মধ্যাঞ্চলে আঘাত হানতে পারে। এটি সাতক্ষীরার উত্তর দিয়ে যশোর, ঝিনাইদহ, রাশশাহী ও ময়মনসিংহের দক্ষিণ দিয়ে চলে যেতে পারে। এসব এলাকায় প্রবল বাতাস হতে পারে।

ঘূর্ণিঝড় ফনির প্রভাবে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টিপাত হচ্ছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।

ইতিমধ্যে দেশের দুই সমুদ্রবন্দর মোংলা ও পায়রা বন্দরকে সাত নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড় ফনির প্রভাবে বজ্রপাতে কিশোরগঞ্জ জেলার তিন উপজেলায় এক শিশুসহ ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া ব্রাক্ষণবাড়িয়ায় ১ জন ও নেত্রকোনায় ১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

ইতিমধ্যে ঘূর্ণিঝড় ফনির কারণে শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত দেশের উপকূলীয় জেলাগুলোর ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলের ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৫ জন মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে নেয়া হয়েছে।

দেশের ১৯ জেলার ১৪৭টি উপজেলার ১৩ হাজার ৫০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা উপকূলীয় এলাকা হিসেবে চিহ্নিত; সেখানে প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ মানুষের বসবাস।

এই ১৯ জেলায় ৪ হাজার ৭১টি আশ্রয় কেন্দ্র রয়েছে, যার বেশিরভাগই প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

সচিব জানিয়েছেন, নেভি, কোস্টগার্ড, পুলিশ, আনসার-ভিডিপি, স্বেচ্ছাসেবকসহ রাজনৈতিককর্মীরা উপকূলের মানুষদের আশ্রয় কেন্দ্রে নেয়াসহ বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছেন।

মন্তব্য করুন

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন


শীঘ্রই উদ্ভোদন হতে যাচ্ছে কক্সবাজারের প্রথম সর্বাধুনিক মাল্টি স্পেশেলাইজড হাসপাতাল

বিজ্ঞাপনঃ

কক্সবাজার নিউজ বিডি (সিএনবি)তে ব্যবহৃত সকল সংবাদ ও আলোকচিত্র বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বেআইনি। স্বত্বাধিকারী কর্তৃক coxsbazarnewsbd.com এর সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (নিবন্ধন নম্বর-১০০৬৮)
Desing & Developed BY MONTAKIM.COM